Breaking News
Home / অপরাধ / দীর্ঘ ১৪ মাস পর অপহরণ নাটক উদঘাটন করলো পিবিআই ঢাকা জেলা।

দীর্ঘ ১৪ মাস পর অপহরণ নাটক উদঘাটন করলো পিবিআই ঢাকা জেলা।

দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকা জেলার দোহার থানার অপহরণ মামলার ভিকটিম আঃ রহিম (৩০) কে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা জেলা।

গত ০৩ জুলাই পিবিআই ঢাকা জেলার উপ পুলিশ পরিদর্শক সালেহ ইমরান এর নেতৃত্বে পিবিআই পুলিশের একটি দল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার বানাতি বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম আঃ রহিম কে উদ্ধার করে।

আঃ রহিম ঢাকা জেলার দোহার থানার পশ্চিম নারিশা চর এলাকার মৃত মাতাব আলী আকনের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম আব্দুর রহীম একজন ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কেনাবেচা করেন। অটোরিকশা বেচাকেনা নিয়ে কামরুল হাওলাদার (৪০) ও লিটন মাদবর (৩০) নামে দুই ব্যক্তির সঙ্গে ২০১৮ সালের মার্চে তার লেনদেন হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হলে রহীম থানায় একটি জিডি করে একদিন পরেই আত্মগোপনে চলে যায়।’

পরে তার ছেলে মো. সিফাত বাদী হয়ে কামরুল হাওলাদার, লিটন মাদবর, আলতাফ ও অজ্ঞাত আরও এক ব্যক্তিকে আসামি করে আদালতে অপহরণের একটি নালিশি মামলা করেন। আদালত সিফাতের অভিযোগটি দোহার থানাকে এফআইআর করে তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর দোহার থানা পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তারা কিছুদিন কারাগারে থাকার পর হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান।

তবে আব্দুর রহীমের কোনও সন্ধান পায়নি দোহার থানা পুলিশ। ১১ মাস থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করেও কোনও হদিস না পাওয়ায় পিবিআই ঢাকা জেলাকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর পিবিআই ঢাকা জেলা এক মাসের তদন্ত শেষে আত্মগোপনে থাকা রহীমকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানা থেকে উদ্ধার করে।

পিবিআই ঢাকা জেলার এসআই সালেহ ইমরান বলেন, দোহার থানা পুলিশ মামলাটি দীর্ঘ ১১ মাস তদন্ত করে ভিকটিম উদ্ধারে ব্যার্থ হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর আদেশে পিবিআই ঢাকা জেলায় আমার উপর তদন্তভার অর্পিত হয়। দায়িত্ব পাওয়ার এক মাসের মাথায় ভিকটিম উদ্ধার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠিয়ে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় বলেও জানান তিনি৷

Check Also

ধামরাইয়ে ৩শত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

মোঃ বুলবুল খান পলাশ, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করোনাকালীন সময়ে পৌর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *