Breaking News
Home / অপরাধ / কেন্দুয়ার চাঞ্চল্যকর কিশোরী গণধর্ষন মামলার মূল আসামী ইকবালকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

কেন্দুয়ার চাঞ্চল্যকর কিশোরী গণধর্ষন মামলার মূল আসামী ইকবালকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

ইমন রহমান নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার চাঞ্চল্যকর
কিশোরী গণধর্ষন মামলার মূল আসামী মোঃ ইকবালকে (২৪) গ্রেফতার করেছে
র‍্যাব।
র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি টিম ২৩ জুন রবিবার ভোর
রাতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার টাঙ্গুয়া গ্রামে বিশেষ অভিযান
চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর কোম্পানী অধিনায়ক উপ-পরিচালক
লেঃ কমান্ডার বিএন এম শোভন খান রবিবার সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জেলা
প্রেসক্লাবে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া পৌরসভাধীন
স্বল্প কমলপুর এলাকার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র মোঃ ইকবাল ভিকটিমকে
প্রেমের ফঁাদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঈদের পরদিন বাড়ী থেকে কৌশলে বের
করে নেয়। পরে স্বল্প কমলপুর থেকে সাহিতপুর যাওয়ার পথে পঁাকা রাস্তার পাশে সেচের
গভীর নলকুপের টিন সেড ঘরে ৬ দিন আটকে রেখে সে ও তার বন্ধুরা পালাক্রমে ধর্ষণ
করে। ধর্ষণকারীরা গত ১২ জুন গভীর রাতে তাকে অজ্ঞান করে কেন্দুয়া-মদন সড়কের
গোগবাজার জামতলা এলাকার ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায়
কিশোরীটি কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় এবং ঘটনাটি খুলে
বলে। এ ব্যাপারে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে কথিত প্রেমিক মোঃ ইকবালসহ তার
বন্ধুদের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় মামলা দায়ের করে। র‍্যাব পলাতক আসামীদের
গ্রেফতারের জন্য ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। র‍্যাব মোবাইল
ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে মূল আসামী ইকবালের অবস্থান সনাক্ত করার পর রবিবার ভোর রাতে
বিশেষ অভিযান চালিয়ে গৌরীপুরের টাঙ্গুয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার বন্ধুদের নিয়ে
কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এজাহারবূক্ত অন্যান্য
আসামীদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Check Also

শিক্ষিকা মায়া রানী ঘোষ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার

সুজন রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা মায়া ঘোষ হত্যার ঘটনায় ঘাতক রাজমিস্ত্রি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *