Breaking News
Home / জাতীয় / ইকবাল হোসেনকে কেন সাধারন সম্পাদক হিসেবে প্রয়োজন

ইকবাল হোসেনকে কেন সাধারন সম্পাদক হিসেবে প্রয়োজন

এস.এম রুবেল আকনদ:

মোঃ ইকবাল হোসেন, তিনি ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন শক্তিশালী ও ত্যাগী নেতা। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা, তিনি একজন সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, তিনি একজন ক্লীন ইমেজের নেতা, তিনি একজন দানবীরসহ নানাবিধ বিশেষনে মানুষের কাছে পরিচিত ও আলোচিত। মোঃ ইকবাল হোসেনকে কেন ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে প্রয়োজন এ বিষয়ে কিছু যুক্তি ও বিশ্লেষকদের বিশ্লেষন উপস্থাপিত হচ্ছে।
১. একজন সাংগঠনিক নেতা ইকবাল হোসেন :
তিনি ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন অন্যতম সাংগঠনিক নেতা ও ব্যক্তিত্ব। রাষ্ট্রীয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা-উপজেলার সকল প্রকার কর্মসূচী, সভা-মিছিল তিনি ঝাঁকজমক ভাবে যথাযথ মর্যাদায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীগণের সমন্বয়ে গত ১৫ বছর ধরে সব সময় পালন করেন। বিগত সময়ে তার আয়োজনে আর নেতৃত্বেই ত্রিশালে বিভিন্ন কর্মসূচীর বড় বড় সমাবেশ ও মিছিলগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইকবাল হোসেন কর্তৃক আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলগুলোতে হাজার হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত থাকেন। এ সকল অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতা-কর্মীগণের আপ্যায়ন ও যাতায়াত খরচ সব সময় তিনি তার নিজস্ব তহবিল থেকেই বহন করে থাকেন।
ত্রিশাল উপজেলার আওয়ামী রাজনীতিতে যখন অনেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে আওয়ামী লীগ তথা নৌকার বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন ঠিক সেই সময়ে ইকবাল হোসেন তার সকল নেতা-কর্মী নিয়ে প্রতিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে দিন-রাত কাজ করেছেন, রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। তাকে বা তার পছন্দের মানুষকে কেন মনোনয়ন দেয়া হয়নি, সে কথা কখনো চিন্তা করেননি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সারাজীবন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন অগ্রভাগে থেকে।
ইকবাল হোসেন তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সমগ্র পথচলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা নৌকা মার্কার পক্ষেই কাজ করেছেন যা সর্বজন স্বীকৃত ও প্রমাণিত। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অবিচল থেকেছেন।
তাই এ কথা বলার সময় এসেছে ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতা ইকবাল হোসেনের কাছে ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থই আসল।
২. একজন কর্মীবান্ধব নেতা ইকবাল হোসেন :
তিনি ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের সমস্যা ও অসুবিধায় খোঁজ খবর নেন, পাশে দাড়ান, প্রয়োজনে তার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ খরচ করে তাদের সমস্যা বা বিপদের সমাধান করেন।
বিশেষ করে প্রতি ঈদে ও উৎসবে সকলকেই অর্থনৈতিক সহযোগিতা করে থাকেন। তিনি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন।
ইকবাল হোসেন তৃণমূল অর্থাৎ ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি শুরু করে আজ আওয়ামী রাজনীতিতে ভাল অবস্থান তৈরী করে নিয়েছেন। ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে তৃণমূল কর্মীদের আস্থাভাজন হিসেবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছেন। ইকবাল হোসেনের বিগত সময়ের রাজনৈতিক কার্যক্রমই বলে দেয়, যে সময়ের সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তৃণমূল থেকেই তিনি উঠে এসেছেন।
তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের সুখে-দুঃখে, মামলা-হামলায় সবসময়ই কর্মীবান্ধব নেতা ইকবাল হোসেনকে পাশে পেয়েছেন। ক্লীন ইমেজের নেতা ইকবাল হোসেন আওয়ামী রাজনীতিতে কোনদিনই রাজনৈতিক বিভেদ-বিভাজন-ত্রুপিং কে সমর্থন বা প্রশ্রয় দেননি বরং তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী তৃণমূলের সকল নেতাকর্মীর পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন।
৩. ইকবাল হোসেন একজন দানবীর :
তিনি ত্রিশাল উপজেলার প্রায় প্রতিটি মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির, বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ক্লাব, সমিতি, সংঘ, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, ধর্মীয় সভা, ঈদ বা পূঁজা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ সকল প্রকার সামাজিক ও জনহিতকর কাজে তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রচুর পরিমানে দান-অনুদান দিয়ে আসছেন, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। করোনা, বন্যা বা যে কোন দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে সার্বিক সহযোগিতাসহ ছিলেন এবং আছেন। এ রকম কৃতিত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলার ইতিহাসে তিনিই সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছেন বলে বিশ্লেষকগণ মনে করেন।
একজন রাজনৈতিক কর্মী যখন নেতৃত্বে আসীন হন তখন আপামর জনগণ খেয়াল করে সেই মানুষটি সামাজিক অবস্থানের বিচারে একজন গ্রহণযোগ্য মানুষ কিনা?
ত্রিশালের রাজনৈতিক, অথনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, জনহিতকর কাজ ও শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে ইকবাল হোসেন তার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমাধান করেছেন। ত্রিশালের ইতিহাসে তার এ পর্যায়ের স্থানে দ্বিতীয় কেউ নেই বলেই ভাবেন ও জানেন ত্রিশালের মানুষ। যার প্রমাণ যে সকল মহল সুবিধা পেয়েছে আর ত্রিশালের সচেতন ও বিবেকবান ব্যক্তিগণের ইতিহাসে রয়েছে।
ইকবাল হোসেন ত্রিশালের বিভিন্ন পর্যায়ের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতার সাথে জড়িত রয়েছেন। ত্রিশালের মানুষের কাছে ইকবাল হোসেন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যেমন পরিচিত একই সাথে একজন দানবীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মানুষ হিসেবেও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত।
৪. অসহায়-অস্বচ্ছল মানুষদের প্রকৃত বন্ধু ইকবাল হোসেন :
তিনি ত্রিশাল উপজেলার শত শত অসহায়-অস্বচ্ছল রোগীকে তার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ দিয়েছেন চিকিৎসার জন্য। তিনি ত্রিশাল উপজেলার শত শত অসহায়-অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে তার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ দিয়েছেন পড়াশুনার খরচ বাবদ।
তিনি প্রতি রমজান মাসে ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নানা পর্যায়ে পথচারী, যাত্রী, রিকসাওয়ালা, ভ্যানচালক, শ্রমিকসহ অসহায়-অস্বচ্ছল মানুষদের প্রতিদিন ইফতারীর জন্য রান্না করা খাদ্যসামগ্রীর হাজার হাজার পেকেট বিতরন করেছেন।
তিনি প্রতি ঈদে বা অন্য উৎসবে ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায়-অস্বচ্ছল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও মানুষদের নগদ টাকা উপহার দিয়ে থাকেন।
এ রকম কৃতিত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলার ইতিহাসে তিনিই সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছেন বলে বিশ্লেষকগণ মনে করেন।

৫. পরিবেশ রক্ষায় ইকবাল হোসেন :
তিনি বিভিন্ন সময় ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিজে গাছ লাগান, নেতা-কর্মীদের উৎসাহিত করেন এবং সাধারন মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরন করেন। তিনি তার নিজস্ব তহবিল থেকে এ পর্যন্ত ২ লক্ষাধিক বিভিন্ন জাতের গাছের চারা কিনে বিতরন করেছেন।
এ রকম কৃতিত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলার ইতিহাসে তিনিই সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছেন বলে বিশ্লেষকগণ মনে করেন।
৬. বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় ইকবাল হোসেন :
বর্তমান সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য তার নিজস্ব তহবিল থেকে এ পর্যন্ত ১০ লক্ষাধিক টাকার ত্রানসামগ্রী বিতরন করেছেন।
বিগত সময়ে করোনাকালিন সময়ে তিনি তার নিজস্ব তহবিল থেকে কিনে ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দান করেছেন।
উপজেলা প্রশাসনের নিকট ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৫ লক্ষাধিক মাস্ক ও বিভিন্ন প্রকার স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করেছেন। ঐ সময় প্রায় ২০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরন করেছেন।
৭. বিভিন্ন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন ইকবাল হোসেন :
বিগত সময়ে বিভিন্ন জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছেন ও নৌকাকে বিজয়ী করতে নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ খরচ করে দিন-রাত কাজ করেছেন।
তিনি নৌকার প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনকালিন সময়ে প্রতিদিন সকাল-দুপুর-বিকেল-রাতে বিশাল কর্মীবাহিনী নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে হেঁটে হেঁটে গণসংযোগ করে ভোট চেয়েছেন। নৌকার প্রার্থীদের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে প্রচুর পরিমানে অর্থ খরচ করেন।
ইকবাল হোসেন তার সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ খরচ করেছেন।
৮. ক্লীন ইমেজের নেতা ইকবাল হোসেন :
তিনি একজন ক্লীন ইমেজের জননেতা। তিনি দলীয় কোন নেতা-কর্মী বা সাধারন কোন মানুষকে ঠকিয়েছেন বা কারও সাথে প্রতারনা করেছেন এমন নজির ত্রিশালে নেই। তিনি থানা-ভ‚মি অফিস বা অন্য কোন অফিসে কোন কিছুর বিনিময়ে তদবির করেছেন এমন কোন তথ্য তার সারা জীবনের ইতিহাসে নেই।
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা অন্য কোন সুবিধার জন্য কোন প্রকার দেন-দরবার বা শালিস তিনি কখনও কোনভাবেই করেন না, এটা ত্রিশালে সর্বজন স্বীকৃত।
যদি কখনও কোন নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের জন্য কিছু করতে হয় তবে সেটা তিনি তার নিজস্ব অর্থ খরচ করেই করেন।
তিনি কখনও কারও কাছ থেকে কোন প্রকার দান বা অন্য কোন উপায়ে দেয় সুবিধা নেন না, নেয়ার প্রশ্নই উঠে না। বরং তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে বিপুল পরিমানে দান-অনুদান বা উপহার দিয়ে থাকেন, এটাই জনস্বীকৃত।
৯. ইকবাল হোসেনের জন্য জনমানুষের দাবী :
আওয়ামী লীগের জন্য ত্যাগী এ মানুষটির সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, শিক্ষা, খেলাধুলাসহ অন্য সকল কার্যক্রম আলোচনা-পর্যালোচনা, বিশ্লেষন আর বিচার করলে এটি বলার অপেক্ষা রাখে না, ইকবাল হোসেন ত্রিশাল উপজেলার আওয়ামী রাজনীতিতে আদর্শের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একজন সফল ব্যক্তি যে আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে রাজনীতি করেছেন, কখনও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহন করেনি, বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে অন্তরে ধারন করেই আওয়ামী লীগের সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা আর জননেত্রী শেখ হাসিনার সুখী-সুন্দর-সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে সুসংগঠিত রাখতে তৃণমূলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ ভ্যানগার্ড, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে ত্রিশালের রাজপথ কাঁপানো মুজিব সেনিক, ক্লীন ইমেজ এবং সাদা মনের মানুষ, দুর্দিনে-দুঃসময়ে দলের দায়িত্ব পালন করা জননেতা ইকবাল হোসেনকে আগামী ২১ জুলাই ২০২২ তারিখের ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান ত্রিশালের সকল মহলের বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ের একতা প্রতিবন্ধি উন্নয়ন স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবস পালিত

সদর উপজেলার আরাজী ঝাড়গাঁওয়ের একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিভিন্ন আয়োজনে জাতির জনক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *