Breaking News
Home / অপরাধ / ডিমলায় পুলিশের সামনেই সাংবাদিকের মোটরসাইকেল ভাংচুর

ডিমলায় পুলিশের সামনেই সাংবাদিকের মোটরসাইকেল ভাংচুর

নীলফামারী সংবাদদাতাঃ
নীলফামারীর ডিমলায় শনিবার(১১ জুন)
দিবাগত রাতে আওয়ামী লীগের এক গ্রুপের অফিসে অপর গ্রুপের হামলার সময় পুলিশের সামনে ডিমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম লিটন ভাইয়ের মোটরসাইকেলে সহ দুটি মোটরসাইকেল,হেনা রেস্টুরেন্ট ভাংচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ডিমলা উপজেলা শাখা।নাইবা বললাম ছাত্রলীগ, যুবলীগ অফিস সহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর ও বিজয় চত্ত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের কথা।সেই সাথে আ.লীগ লেবাসধারী জড়িত এসব গুন্ডা বাহিনীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

*তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও জনমনে প্রশ্নঃবিকেল থেকেই দুই গ্রুপের মারমুখী অবস্থানে ডিমলা সদরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলোনা কেনো???যদি এ ঘটনায় কোনো মায়ের বুক খালি হতো তবে সে ক্ষতি কে বা কারা পুষিয়ে দিতেন?
যখন এই হামলাকারীরা হামলার উদ্দেশ্যে লাঠি-সোটা,অস্ত্র নিয়ে সাজসজ্জিত হয়ে ডিমলা শুটিবাড়ি মোড় সংলগ্ন এলাকা হতে বিজয় চত্ত্বরের দিকে আসছিলেন তখন মাত্র ৪/৫ জন পুলিশ তাদের গতিরোধ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে তাদের পিছনে পিছনে তারাও এসেছেন বিজয় চত্ত্বরে! কিন্তু হামলা ও ভাংচুরের সময় তারা(পুলিশ)ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়!
তখন থানা থেকে আরও ফোর্স(পুলিশ)চাওয়া হলোনা কেনো?কিম্বা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঠেকাতে ওই মুহূর্তে থানা থেকে আরও পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হলোনা কেনো?আর ডিমলা থানার সিসি ক্যামেরাতো শুটিবাড়ি মোড় বেড়িয়েও অনেক দুর পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত!!!
শুটিবাড়ি মোড় পর্যন্ত বিজয় চত্ত্বরে হেটে আসতে হামলাকারীদের প্রায় ৭-১০ মিনিট লেগেছে কিন্তু থানা থেকে পিকআপ ভ্যানে অথবা মোটরসাইকেলতো পুলিশের শুটিবাড়ি মোড় অথবা ঘটনাস্থলে (বিজয় চত্ত্বর)আসতে দু মিনিটো সময় লাগার কথা নয়!!!
অনেকের দাবি পুলিশ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনাই ঘটতোনা এবং এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাত্র ১ প্লাটুন পুলিশ যতেষ্ট ছিল।সাধারণ মানুষ ঘটনা ঘটার পর পুলিশের ভুমিকা দেখতে চাননা,ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা দেখতে চান।
যা হোক,সাংবাদিকের মোটরসাইকেল ভাংচুরকারীতের দ্রুত গ্রেপ্তার করুন নয়তো ডিমলার সাংবাদিকেরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় উদ্বোধন

দুর্নীতি দমন কমিশনের ঠাকুরগাঁওয়ের সমন্বিত জেলা কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার জেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *