Breaking News
Home / অপরাধ / গাইবান্ধায় প্রভাবশালীর স্ত্রী কর্তৃক ঘটনা সাজিয়ে মামলা দায়েরের অভিযোগ

গাইবান্ধায় প্রভাবশালীর স্ত্রী কর্তৃক ঘটনা সাজিয়ে মামলা দায়েরের অভিযোগ

মোনায়েম মন্ডলঃ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের তালুক রিফাইতপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে এলাকার প্রভাবশালী প্রবাসীর স্ত্রী কর্তৃক ঘটনা সাজিয়ে কোর্টে মামলা দায়ের। উক্ত ঘটনায় মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে তদন্ত ছাড়াই তদন্ত রিপোর্ট নিজের পক্ষে নেয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে জানা যায়, উক্ত গ্রামের নাজমুল হক নামের এক প্রভাবশালী প্রবাসীর স্ত্রী মফিদা বেগম ৩০.১১.২০১৭ইং তারিখে ঘটনা দেখিয়ে প্রতিবেশী তারা মিয়া, লিপু, শ্যামল, শিবলু, রুপাল, বাবলু, লাভলু ও জহির উদ্দিনসহ ৮ জনকে আসামী করে দঃ বিঃ ১৪৭/৪৪৭/৩৭৯/৪২৭/৪০৬ ধারায় গাইবান্ধা সদরের বিজ্ঞ আমলী আদালতে ৫৭৫/১৭ নং সিআর মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন- মৌজা: তালুক রিফাইতপুর, আরএস ২২৬, ডিপি খতিয়ান: ৮২২/৮০৭, সাবেক ও হাল দাগ ২৭৪৮/৩৩৭২, জমি: ১৪ শতকের উপর ফলজ ও বনজ গাছপালা লাগিয়ে অস্থায়ী ভাবে দোচালা টিনের ঘর উঠিয়ে তথায় কিছু টিন, কাঠ, খড়ি, কংক্রিটের খুটি, বিল্ডিং নির্মানের সামগ্রী চুরি, বিল্ডিং নির্মান কাজে বাঁধা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন অভিযোগ। এই মামলায় আনীত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গাইবান্ধা সদর থানায় প্রেরণ করলে থানার এসআই রবিউল ইসলাম গত ২৮.১.২০১৮ইং বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি কয় তারিখে কয়টার সময় ঘটনাস্থল তদন্ত করেন তা উল্লেখ করেননি। সব সাক্ষীর জবানবন্দীর তথ্যের ভাব ও ভাষা একই। যা একজন সাক্ষীর জবানবন্দীটিই অন্যান্য সাক্ষীর বেলায় শুধু নাম পরিবর্তন করেছেন। শুধু তাই নয়- সাক্ষ্য গ্রহণের পর সাক্ষীর স্বাক্ষর নেয়ার কথা থাকলেও দাখিলকৃত জবানবন্দীতে সাক্ষীর স্বাক্ষর নেই।
উল্লেখ্য- ১৯৬১ সালে প্রবাসী নাজমুল হকের পূর্ব পুরুষ মৃত. মনির উদ্দিন মুন্সির পুত্র ময়েজ উদ্দিন মুন্সির ১৬ শতক ও মামলার বিবাদী তারা মিয়া গং এর পূর্ব পুরুষ মৃত. নছের মামুদ মুন্সির পুত্র ইয়াকুব আলী মুন্সির ৫০ শতক জমি নিজেদের ব্যবহারের সুবিধার্থে ১০৭৩৫ নং দলিল মুলে এওয়াজ বা বায়নাপত্র সৃজন করেন। এর পর থেকে এওয়াজ মুলে উভয়ের ওয়ারিশগণ জমি ভোগ দখল করে আসার কথা থাকলেও ময়েজ উদ্দিন মুন্সির টাউট বাটপার প্রকৃতির ওয়ারিশগণ উল্লেখিত এওয়াজ দলিলের কথা গোপন রেখে নিজের ১৬ শতকসহ ইয়াকুব আলী মুন্সির ৫০ শতকও ভোগ করছিলেন। কিন্তু বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনার মাধ্যমে এওয়াজ দলিলের কথা ফাস হলে ইয়াকুব আলী মুন্সির ওয়ারিশগণ উল্লেখিত নালিশী জমি কমপক্ষে ২ বছর পূর্বে নিজ দখলে নেয়।

Check Also

ধামরাইয়ে ৩শত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

মোঃ বুলবুল খান পলাশ, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করোনাকালীন সময়ে পৌর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *