Breaking News
Home / প্রচ্ছদ / মানবতার ফেরিওয়ালা মাহমুদুল হাসান সোহাগ

মানবতার ফেরিওয়ালা মাহমুদুল হাসান সোহাগ

পরিমল চন্দ্র বসুনিয়া,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস যোদ্ধ মোকাবেলায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা উপজেলার মানবতার ফেরিওয়ালা হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তরুণ সমাজসেবক মাহমুদুল হাসান সোহাগ বিরামহীনভাবে ছুটে চলেছেন দুই উপজেলার কর্মহীন, অসহায় ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে। নিজ অর্থায়নে নগদ টাকা, চাল, বা খাদ্যসামগ্রী নিয়ে। করোনা মোকাবেলায় শক্ত হাতে অসহায় কর্মহীন ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে গিয়ে তিনি ব্যতিক্রমী পথচলা শুরু করেছেন। করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস নামক এক মহামারি যুদ্ধের সাথে। এই মহামারির কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া উপজেলার ও ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ক্ষুধা নিবারণে তিনি প্রাণপ্রণ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছুটে চলছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। সবকিছু মাড়িয়ে পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা তাঁর পরিচয় একজন মানবতার ফেরিওয়ালা।

এ পর্যন্ত সবমিলিয়ে পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে কয়েক হাজার পরিবারের মাঝে তিনি চাল, ডাল, তৈল, চিনি, আটা ও সাবান খাদ্যসামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেছেন। খাদ্য সহায়তা চলমান রয়েছে। ব্যক্তি উদ্যোগে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার জন্য দিনরাত বিরামহীনভাবে ছুটে চলেছেন। মানবিক কারণে এসব খাদ্য সহায়তা কর্মহীনদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন বলে জানান তরুণ সমাজসেবক হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যানবাহনসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকায় গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার অনেক কর্মজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। যার কারণে সবাই ক্ষুধার জ্বালায় এক মানবেতর জীবনযাপন করছে। সেই অসহায় ও কর্মহীন মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করে নিজের অর্য়ানয়ে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন মাহমুদুল হাসান সোহাগ।

এমন উদ্যোগকে পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ প্রশংসার চোখে দেখছেন। পাশাপাশি করোনা প্রতিরোধে সরকারের প্রতিটি নির্দেশনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মানুষদের সচেতন করে তুলছেন। করোনার সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে হাত ধৌত ও জিবাণুনাশক স্প্রে করারও ব্যবস্থা করেছেন।

মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। কাজে যেতে না পারায় আয়ও বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক দুস্থ পরিবার খাদ্য সংকটে রয়েছে। এ অবস্থায় আমি আমার নিজ অর্থায়নে নিজ উদ্যোগে প্রতিনিয়ত দুস্থ মানুষের পাশে গিয়ে দাড়াচ্ছি। এটি চলমান রয়েছে। এ ধরণের খাদ্য সহায়তা প্রদান পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

তিনি করোনা মোকাবিলায় সবাই কে ধৈর্য এবং নিয়ম অনুযায়ী চলাচল করার উপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব

ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে শুক্রবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *