Breaking News
Home / অপরাধ / আইন ও আদালত / আমি ভালো আছি এই চিন্তা করার সময় এখন নয় -জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম

আমি ভালো আছি এই চিন্তা করার সময় এখন নয় -জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম

মোঃ মঈন উদ্দীন চিশতী, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত – সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন।

করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্ব আজ এক মারাত্মক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। বিপন্ন হয়ে পড়েছে আজ অজস্র মানুষের জীবন। দিনাজপুর জেলায়ও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ বাধ্য হচ্ছে লকডাউন এ যেতে।রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ তো দূরের কথা এক দিনের কাজ ছাড়া যাদের অন্ন জোটে না এমন অসহায় ও দুস্থ ৫০০ টি পরিবারের ঘুম না ভাঙ্গতেই বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দিনাজপুর সদর উপজেলার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ভোরে সূর্য উদয়ের আগে (৪:০০ ঘটিকায়) অসহায় ও দুস্থ ৫০০টি পরিবারের মাঝে পাঁচটি টীমে বিভক্ত হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসকসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ।

করোনায় কর্মহীন ও ক্ষতিগ্রস্থ মানুষেরা জেলা প্রশাসক বরাবর খাদ্য সামগ্রীর জন্য আবেদন করলে সেগুলো যাচাইবাছাই করে এসব ত্রাণ সামগ্রী কর্মহীন সাধারণ মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম। ১০ দিনের জন্য একটি পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, আলু সরবরাহ করা হয়। দেশের এই ক্রান্তিকালে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান লোকদেরও এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক।

এ সময় তারা বলেন, ‘এত রাতে ডিসি স্যারের মত লোক নিজেই এসে দরজায় ডাক দিবেন কখনোই কল্পনা করতে পারিনি। তিনি নিজের হাতে আমাকে চাল, ডাল, তেল, আলুর বস্তা তুলে দিয়েছেন। স্যারকে ধন্যবাদ দেওয়ার মত ভাষা আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম বলেন, ‘আমি ভালো আছি এই চিন্তা করার সময় এখন নয়। আমার চারপাশের লোকজন কতটা ভালো আছেন সেটা দেখার সময় এখন। জেলা শহরের ৫০০ হতদরিদ্র, কর্মহীন পরিবারকে আমরা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। রাতে ত্রাণ দেওয়ার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। এই কাজটি আমি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে। তারাও প্রতিনিয়তই দিনরাত খেটে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই দেশের মানুষ ভালো থাকুক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের কথা ভেবেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের পাশাপাশি সমাজের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবান লোকদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। সবাই সবার জায়গা থেকে যতটুকু পারেন অন্যকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবানও জানান তিনি।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে কৃষক লীগের সন্মেলন অনুষ্ঠিত-সভাপতি আঃ রহিম-সাঃ সমাপাদক দিগেন

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে শনিবার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *