Breaking News
Home / প্রচ্ছদ / নিউজ আপডেট / কন্যা সন্তান মাতা-পিতার জন্য নেয়ামত, ইসলাম যা বলে

কন্যা সন্তান মাতা-পিতার জন্য নেয়ামত, ইসলাম যা বলে

মোঃ আরিফুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টর।

আল্লাহর  রহমতে গত ১০/০১/২০২০ তারিখে আবার আমি ২য় বারের মতো কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। সবাই আমার মেয়েদের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহপাক রব্বুল আলামীন যেন আমার মেয়েদেরকে নেক হায়াত দান করেন এবং তাদেরকে যেন ইসলামিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি, আমিন,আমিন, আমিন। কন্যা সন্তান আল্লাহর নেয়ামত।

আল্লাহ তায়ালা কাউকে কন্যা সন্তান দান করেন, আবার কাউকে পুত্রসন্তান। আবার কাউকে উভয়টিই দান করেন। কাউকে আবার কোন ‘সন্তানই দেন না। এটি পুরোটাই মহান স্রষ্টার ইচ্ছাধীন। কন্যা সন্তান এবং পুত্র সন্তান উভয়ই আল্লাহর দান। দুঃখজনকভাবে আমাদের সমাজে পরিলক্ষিত, যখন পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে তখন ‘আনন্দের সঙ্গে মিষ্টি বিতরণ করে, পক্ষান্তরে কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণে কোন খুশি প্রকাশ করেনা। কারো ‘সঙ্গে কন্যা সন্তান হওয়ার আলোচনাটুকু করতেও লজ্জাবোধ করেন অনেকেই। অনেক সময় কন্যা সন্তান ‘হওয়ায় স্ত্রীর উপর স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিরূপ ”আচরণ করেন।

এদিকে মহান আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। যাকে ‘ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন।’ (সুরা শুরা, আয়াত-৪৯) কোরআনের ”শিক্ষার এ বোধটুকু একজন মুসলমানের বিবেকে থাকা উচিত। কোন মুসলমানের জন্য এধরনের” কাজ সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ। এমনকি আল্লাহ ‘তাআলার সৃষ্টি জ্ঞানের উপর ”আপত্তি করার নামান্তর। এটা জাহিলি যুগের কাফিরদের কর্মপন্থা।

আল্লাহ তায়া’লা বলেন, ‘তাদের কাউকে যখন ‘কন্যা সন্তানের ‘সুসংবাদ’ দেয়া হয় তার মুখ কালো হয়ে যায় এবং অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।’ (সূরা নাহল, আয়াত-৫৮,৫৯)। কন্যা সন্তান মহান আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে মাতা-পিতার” জন্য একটি বিশেষ নেয়ামত। কন্যা সন্তানকে অশুভ মনে করা কাফেরদের বদ স্বভাব। কন্যা সন্তানকে অপছন্দ করা খাঁটি মুমিনের পরিচয় নয়। কন্যা সন্তান অশুভ বা অকল্যাণকর নয়, বরং কন্যা সন্তা’ন জন্ম নেওয়া সৌভাগ্যের নিদর্শন।

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত, ‘রাসূল (সা.) বলেন, ওই স্ত্রী স্বামীর জন্য অধিক বরকতময় যার দেনমোহরের পরিমাণ’ কম হয় এবং যার প্রথম সন্তান হয় মেয়ে।’ তাই কোন মুসলমানের এই প্রথার সঙ্গে কোনরূপ সামঞ্জস্য’ থাকা উচিত নয়। কন্যা সন্তানে কোনরূপ অসন্তোষ প্রকাশ পরিহার করা উচিত। রাসূল (সা.) যেমন ‘কন্যা সন্তানকে আল্লাহর রহমত বলেছেন এবং কন্যা সন্তানের প্রতি যে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এটা ”আমাদের আদর্শ। তার অনুসরণ* আমাদের কর্তব্য। তাছাড়া কন্যা সন্তান জন্মানোয়’ নিজেকে ছোট, অপমানিত মনে করা কাফেরদের *কর্মপন্থা। তাই মুসলমানদের উচিত,অধিক আনন্দ প্রকাশের মাধ্যমে” কাফেরদের এ নিকৃষ্ট রীতির বিলুপ্তি ঘটানো।

Check Also

ত্রিশালে যথাযথ মর্যাদায় ৭ই মার্চ পালন

এস.এম রুবেল আকন্দ: ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন করা হয়েছে। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *