Breaking News
Home / অপরাধ / ডোমারে মাদ্রাসা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা

ডোমারে মাদ্রাসা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম (চিলাহাটি -নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডোমারে একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা। দুর্বত্তরা এ সময় মাদ্রাসার টিনের বেড়া,চেয়ার,টেবিল,ব্রেঞ্চ,দরজা, ছাত্র/ছাত্রীর হাজিরা খাতা,শিক্ষক হাজিরা বহির রেজিষ্টারসহ গুরুত্বপুর্ন কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের মৌজাপাঙ্গা পন্ডিতপাড়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসায়। এ ব্যাপারে ডোমার থানায় অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসাটির সভাপতি মোঃ দুলাল হোসেন।

অভিযোগে জানাযায়,১৯৬৮ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম মৌলভী ছফির উদ্দিন।তিনিই প্রতিষ্ঠাকালিন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পরে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন মোঃ ফজলুল হক। মাদ্রাসাটি মুঞ্জুরী হয় ১৯৮৫ সালে। গত ১১ জানুয়ারী সকালে মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার মোঃ নুরুল হকের ছেলে মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন(৩৫),লেলিন ইসলাম(২৫),মোঃ শাহীন ইসলাম(৩৫),অহেদ মোল্লা(৪০),ফজিলা বেগম(৪০)সহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনের একটি দল মাদ্রাসায় প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বাধা প্রদান এবং মাদ্রাসার সভাপতিসহ শিক্ষকদের গালিগালাজ করে রুহুল আমিন নিজেকে প্রধান শিক্ষক দাবী করেন। এ সময় শিক্ষকরা লেখাপড়ায় বাধা দেওয়ার কারন জানতে চাইলে রুহুল আমিনের লোকজন মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ দুলাল হোসেনকে মারধর করে। এ সময় তারা দলবেধে সকলকে হুমকি দিয়ে মাদ্রাসার সকল টিনের বেড়া,চেয়ার টেবিল,বেঞ্চ,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ জোর করে নিয়ে যায়। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে শুধুমাত্র টিনের চাল রয়েছে। মাদ্রাসাটির সকল জিনিসপত্র রুহুল আমিনগং নিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে লেখাপড়ার পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে জানান সভাপতি মোঃ দুলাল হোসেন।

মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ দুলাল জানান,২০১৭ সালের ২০ জুলাই মাদ্রাসাটির মুঞ্জুরীর কাগজসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ডোমার থানায় ৬ সেপ্টম্বর ২০১৭ সালে সাধারন ডায়েরী করা হয় যার নম্বর-২০৪। কিন্তু রুহুল আমিন সেই কাগজপত্র পেয়ে নিজেকে প্রধান শিক্ষক তার বাবাকে সভাপতি ও স্ত্রীকে দাতা সদস্য দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাকেরিনা বেগমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি রুহুল আমিনের কাগজপত্র ফিরিয়ে দিলে রুহুর আমিন আমার ও মাদ্রাসাটি উপর ক্ষিপ্ত হয়ে লেখাপড়ায় বাধা প্রদানের পাশাপাশি মাদ্রাসাটি সম্পুর্নরুমে চুরি করে নিয়ে গেছে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমান অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ১টি বাড়ি ভস্মীভূত

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি, স্টাফ রিপোর্টার: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ গতকাল রাত ১০/১১ ঘটিকার সময় হঠাৎ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *