Breaking News
Home / প্রচ্ছদ / ঢাকা হবে স্মার্ট সিটি, তবে অবশ্যই এলাকা ভিত্তিক জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই ডিজাইন করা হবে, বলেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম।

ঢাকা হবে স্মার্ট সিটি, তবে অবশ্যই এলাকা ভিত্তিক জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই ডিজাইন করা হবে, বলেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম।

আলিফ হাসান, উওরা প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, আমাদের প্রথম প্রায়োরিটি হল বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তোলার সাথে সাথে সমগ্র দেশের জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন করা। আমরা গত ১০ বছরে মাথাপিছু আয় একটি সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে এসেছি যা এখনো ক্রমবর্ধমান। আমরা ইনশাআল্লাহ অল্পসময়ের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবো। ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্টও আমাদের এই অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি কারণ। আমাদেরকে এই বয়সের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। তবে এটিও সত্য যে এই হঠাৎ উন্নয়নের জন্যই অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন ঘটেছে। যার ফলে নগর কর্তৃপক্ষ পড়েছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে। তার মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সরবরাহ, পয়: নিস্কাশন অন্যতম। এর সাথে ভবন নীতিমালা না মেনে ভবন তৈরি করা ও সরকারি জমি অপদখল, জলাধার দখল হয়ে যাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষেরও কিছু দুর্বলতা রয়েছে, যেমন মানুষ ধারন ক্ষমতা, গাড়ি পার্কিং, রাস্তার প্রশস্ততাসহ অন্যান্য সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই অনেক বহুতল ভবন নির্মাণ অনুমতি দেয়া হয়েছে। অবশ্য এর জন্য বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও দায়ী। সময় এসেছে আমাদেরকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। আমরা সকলেই জনগণের জন্য কাজ করি, তাই সমন্বয় না হবার কোন কারন নেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করে যাচ্ছি।

আলোচনায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম এমপি বলেন, আমাদের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আছে, তারা কাজ করে যাচ্ছে। তারপরেও তারা নানান ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমি মন্ত্রী হবার পরে জরিপ করে দেখলাম, ঢাকা শহরের প্রায় ৬৬% বাড়িই রাজউকের নকশা মেনে করা হয় নি, তার মধ্যে অনেকেই আবার কোন রকম নকশা অনুমোদন ছাড়াই ভবন নির্মাণ করেছে। আমাদের জানা মতে ঢাকা শহরে প্রায় ১৮০০ নকশা না মেনে করা বাড়ি আছে যাদের মালিক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা ব্যবসায়ী ভাবে শক্তিশালী, তারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে এসব কাজ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবিষয়ে অবগত আছেন এবং তার নির্দেশে আমরা এসব নথি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠিয়েছি এবং তারা কাজ করছেন। গাজীপুরের মেয়রের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, গাজীপুরের জন্যও একটি মাস্টার প্লান খরা হচ্ছে। তাছাড়া ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় কোন কমার্শিয়াল স্থাপনা থাকতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, আমরা বিকেন্দ্রীকরণ ও আধুনিক আবাসন গড়ে তুলতে কাজ করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে আবাসিক এলাকায় পর্যাপ্ত জলাধার ও উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ রাখার বিষয়ে।সে নির্দেশনা মতে পূর্বাচলে আবাসন তৈরির ক্ষেত্রে ৪৫% জমি উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে। একইভাবে নতুন আরো দুটি শহর তুরাগ ও বসিলাতে ৭৫% জমিই জলাধার ও উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্য প্যানেল আলোচকদের মধ্যে ছিলেন, নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভি, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ. খান, আন্তর্জাতিক মেট্রোপলিটন সিটি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মি. ফিলিপ ভ্যান রেনেভেল্ড, বিশ্ব ব্যাংকের বিশেষজ্ঞ মি. জন রোম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্ব ব্যাংকের পরিচালক ড. মার্সি টেম্বন।

Check Also

সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ২ মার্চ দেশব্যাপী কলমবিরতি ঘোষণা

ঢাকা রোববার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১: সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা ও অব্যাহত নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামি ২ মার্চ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *