Breaking News
Home / প্রচ্ছদ / এসএম নজরুল ইসলাম মেয়র এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি !

এসএম নজরুল ইসলাম মেয়র এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি !

স্টাফ রিপোর্টার আব্দুর রহিম বাবুল

উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ থেকে

ভাগিয়ে নয় বরং পান্নাকে পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। পৌর মেয়র এর নামে এসএম নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।

রাজন আহমেদ আজ পর্যন্ত কোথাও কোন প্রকার অভিযোগ করতে পারিনি এবং কোন প্রকার সাধারণ ডায়েরি মামলা করতে পারিনি তার কারণ রাজন আহমেদ মেয়র এর জনপ্রিয়তা দেখে কিছু লোক মিলে সম্মিলিতভাবে তাকে সামাজিকভাবে ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় পূর্ণ করার জন্য এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। একজন স্বামী স্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে পারে হানিমুন করতে পারে এটা সবার ব্যক্তিগত ও মৌলিক অধিকার এটা নিয়ে রসিকতা করার কিছুই নেই। শিক্ষিকা গুলশানারা পান্না তার ছুটি শেষে স্কুলে যোগ দিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষকরা অসন্তুষ্ট নয়।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্নাকে পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এসএম নজরুল ইসলাম ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেননি।বরং উভয় পরিবারের সম্মতিতেই পান্না ও মেয়র নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার একটি অনলাইন গণমাধ্যমে ‘স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন মেয়র, ভয়ে চুপ স্বামী’ শিরোনামে শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্না ও পৌর মেয়র নজরুল ইসলামকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। এর আগে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় ওই সংবাদ প্রকাশিত হয়। তাদের বিয়ের আসরের একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সহ আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে একটি ছবিতে মেয়র নজরুল ইসলামের সঙ্গে পান্না ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাপ হোসেন এবং মা জাকিয়া ইয়াসমিনকে দেখা গেছে।

জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী জেসমিন জয়ার সঙ্গে ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর তারিখে তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় মেয়র নজরুল ইসলামের। সাবেক স্ত্রী জেসমিন জয়ার সাথে উল্লাপাড়া মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদের সাথে বিয়ে হয়। জেসমিন জয়া সেই শিক্ষকের সাথেই এখন সংসার করতেছেন এরপর উভয় পরিবারের সিদ্ধান্তে ২০১৮ সালের ১৮ আগষ্ট অনাড়ম্ভর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুলশান আরা পারভীন পান্নাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মেয়র নজরুল ইসলাম।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রথম স্বামী রুমান সাইদ রাজনকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন শিক্ষক গুলশান আরা পান্না। ২০১৮সালের ২ এপ্রিল তাদের দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। উল্লাপাড়ার বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট শামছুল আলমের উপস্থিতিতে তার বাড়িতে উভয়ের সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।মেয়রের স্ত্রী পান্নার মা স্কুল শিক্ষিকা জাকিয়া ইয়াসমিন জানান,মেয়র আমার মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেননি। আগের স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের পর আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ে হয়। মিথ্যা কথা প্রচার করে আমাদের সন্মান নষ্ট করছে।

গুলশান আরা পান্নার সাবেক স্বামী রুমান সাইদের সাথে মঙ্গলবার সন্ধা ৭টার দিকে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান,তার স্ত্রীকে মেয়র ভাগিয়ে নেননি। তাদের পারিবারিক সমস্যর কারনেই এই বিচ্ছেদ। তিনি দাবী করেন আমি হজ্ব করে এসেছি। ইবাদত বন্দিগী নিয়ে থাকি। পান্না সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড নিয়ে থাকায় আমাদের মাঝে চরম সমস্যা দেখা দেয়। পরে উভয় পরিবারের উপস্থিতে এ্যাড.সামছুল আলমের বাসায় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,একটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় তার সাথে কথা না বলে ইচ্ছেমত মনগড়া বক্তব্য ছাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন,ভাগিয়ে নিলে আমি আইন আদালতের আশ্রয় নিতাম।

এদিকে মেয়র কে ঘিরে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় উল্লাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র নজরুল ইসলাম। ওই সংবাদ সম্মেলনে পৌর সভার ৮ জন কাউন্সিলর, পৌর আওয়ামী লীগের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি স্থানীয় পত্রিকা ও ২/১টি অনলাইন গণমাধ্যমে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা অসত্য উদ্দেশ্য প্রনোদিত। তার রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান নষ্ট করতে একটি মহলের ইন্দনে এমন সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাদের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত সব কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন তিনি।

মেয়র নজরুল ইসলাম বলেন, ইসলামিক শরিয়ত মোতাবেক আমার দ্বিতীয় বিয়েতে পান্নার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাপ হোসেন, মা জাকিয়া ইয়াসমিন,ভাই সহ তার পরিবারের অনেক সদস্যসহ শহরের গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ব্যবসায়ী রাজন আহমেদের স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্নাকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন উল্লাপাড়ার পৌর মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা এসএম নজরুল ইসলাম।

কিন্তু মেয়রের প্রভাবে মামলা তো দূরের থাক আজ পর্যন্ত কোথাও কোনো অভিযোগও করতে পারেননি গুলশানারা-র তালাকপ্রাপ্তা স্বামী রাজন আহমেদ।’

জোর করে নয় বরং পরিবারের সম্মতিতেই ২০১৮ সালের ১৮ আগষ্ট দশ লাখ টাকা দেন মোহরে তারা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। উল্লাপাড়া পৌর শহরের সাবেক সোনালী ব্যাংক ভবনে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। অনাড়ম্বর সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়ার রাজনৈতিক,সাংবাদিক,প্রশাসন,শিক্ষক,সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পৌর মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম কে জানান এই সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এই অপপ্রচার এর কোন সত্যতা নেই বরং আমার রাজনৈতিকভাবে ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য করতেছে।

ইতিমধ্যে প্রথম স্ত্রী জেসমিন জয়ারও দ্বিতীয় বিয়ে হয়ে গেছে বলেও জানান মেয়র। তিনি দাবী করেন সামনে পৌর নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে আমার নামে এমন অপপ্রচার চালিয়ে কতিপয় ব্যক্তিবর্গ নিজেদের একক অবস্থান নিশ্চিত করতে চায়। আমি উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছি। সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করনে অবিরাম কাজ করছি। উল্লাপাড়া পৌর শহরে আওয়ামীলীগের রাজনীতি শক্তিশালী করেছি। আমার স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা। উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমরা শান্তিতে সংসার করছি। আমাদের ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। এইগুলো যারা করতেছে আমি এখনো জানতে পারি নাই তবে আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি তাই এই বিষয়ে আমি আইন কে অবগতি করেছি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য।

ফলোআপ নিউজ চলবে………!

Check Also

নীলফামারী ডিমলায় ১৬ বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

হাছানুর রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় গত ২০/০২/২০২১ইং তারিখে অফিসার ইনচার্জ ডিমলা থানার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *