Breaking News
Home / জাতীয় / অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক স্ফুলিঙ্গের নাম শেখ হাসিনা, বললেন তথ্যমন্ত্রী

অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক স্ফুলিঙ্গের নাম শেখ হাসিনা, বললেন তথ্যমন্ত্রী

ক্রাইম রিপোর্ট ডেস্ক

আবুল বাশার নূরু : মঙ্গলবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের স্বপ্নসারথি’ শিরোনামে আলোকচিত্র ও শিল্পকর্মের মাসব্যাপী প্রদর্শনী উপলক্ষে আলোচনাসভায় ড. হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন পাকিস্তানসহ অনেকেই সন্দিহান ছিল বাংলাদেশ টিকবে কি-না। আজকে সেই বাংলাদেশ সমস্ত সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ভারত থেকেও এগিয়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুও ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে বেশি।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথা উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভ‚লুণ্ঠিত করা হয়েছিল। যে চেতনার ভিত্তিতে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছিল, সে সমস্ত চেতনাকে নস্যাৎ করা হয়েচিল তখন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সেদিন প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পদার্পণ ঘটেছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে শেখ হাসিনা তার নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বনেতার আসনে আসীন হয়েছেন। শেখ হাসিনা পৃথিবীর সবচেয়ে কর্মঠ প্রধানমন্ত্রীদের একজন। তিনি পৃথিবীর সৎ প্রধানমন্ত্রীদের একজন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার নেতৃত্বে গত সাড়ে ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পৃথিবীর সব দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশের গত বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই জনপদ পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে খাদ্যঘাটতির জনপদে রূপান্তরিত হয়। তখনকার পূর্ববাংলায় জনসংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ। বর্তমানে সেই বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি। পৃথিবীর সমস্ত দেশকে অবাক করে দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে অনেক আগেই বাংলাদেশ একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত হতো।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিজয়কেতন উড়ছে। মিয়ানমার এবং ভারতের কাছ থেকে বিনা রক্তপাতে বাংলাদেশের সমপরিমাণ সমুদ্রসীমা আমরা আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে জয় করেছি। ১৯৪৭ সালের অমীমাংসিত সমস্যা ছিটমহলের কয়েক লাখ মানুষের কোনো আত্মপরিচয় ছিল না। ’৭৪ সালে যে চুক্তি হয়েছিল সেই চুক্তির আলোকে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পাদন হয়েছে। বাংলাদেশের আয়তন বেড়েছে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব বদরুল আলম ভূইয়া বক্তব্য রাখেন।

Check Also

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ১টি বাড়ি ভস্মীভূত

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি, স্টাফ রিপোর্টার: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ গতকাল রাত ১০/১১ ঘটিকার সময় হঠাৎ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *