Breaking News
Home / রাজনীতি / ‘আবরার হত্যার মধ্য দিয়ে সরকার পতন আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে’- ব্যারিস্টার মওদুদ

‘আবরার হত্যার মধ্য দিয়ে সরকার পতন আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে’- ব্যারিস্টার মওদুদ

অনলাইন ডেস্ক

‘আবরার হত্যার মধ্য দিয়ে সরকার পতন আন্দোলনের শুরু হয়ে গেছে। এখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন সময়ের ব্যাপার। দেশের মানুষ কখনোই এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে বরদাস্ত করতে পারে না।’ শনিবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এসম কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সমাবেশে আরও বক্তৃতা রাখেন দলটির দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তার মতে কে এম নাজির উদ্দিন জেহাদ হত্যার মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের পতনের বীজ রোপণ হয়েছিল। এবার আবরার হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লিগের পতনেরও বীজ রোপণ হয়েছে। আওয়ামী লিগও আর বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেনা বলে মন্তব্য তার।

নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘আবরার রক্ত দিয়ে সরকার পতনের যে আন্দোলনের সূত্রপাত করে গেছেন, আমার বিশ্বাস, সারাদেশের ছাত্রসমাজ, যারা দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী, তাদের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেই রক্তের প্রতিশোধ নেবে। তার রক্ত বৃথা যেতে দেবে না। কয়েকদিন আগে আমরা শহীদ জিহাদ দিবস পালন করেছি, তার রক্তে সেইদিন এরশাদ স্বৈরাচারের পতনের দিন শুরু হয়েছিল। আর আবরারের রক্তে এ সরকারের পতনের বীজ রোপণ করা হয়েছে। এই দেশে বেশিদিন ফ্যাসিবাদ টিকতে পারবে না।’ ভারতের সাথে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা চুক্তি নিয়ে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘ফেনী নদী থেকে গত ১০ বছরে ভারত জোর করে ৭২ কিউসেক পানি নিয়ে যাচ্ছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেনী নদী থেকে পানি দেওয়ার চুক্তি করে এসেছেন। কিন্তু ভারত কী পরিমাণে পানি নেবে, তা পর্যবেক্ষণের কোনও তথ্য চুক্তিতে নেই। ভারতকে পানি নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার ফলে নদীর পাশের কৃষিকাজ ব্যাহত হবে এবং মুহুরী প্রজেক্ট পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর প্রধানমন্ত্রী বলছেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু করেননি। এখানে আমাদের স্বার্থ কোথায়? সব স্বার্থ তো ভারতের।’

পুলিশের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশটি করে বিএনপি। পুলিশের অনুমতি না নেয়ার ব্যাপারে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘পুলিশের অনুমতির ওপর জনসভা করবো, এটা হতে পারে না। আমরা সমাবেশের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি, তাদের সহযোগিতার জন্য। কিন্তু তারা রাজনৈতিক দলের সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এটা হতে পারে না। এজন্য ২ লাখ মা-বোন ইজ্জত দেয়নি। আর ৩০ লাখ মানুষও রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেনি।’ বিএনপির এী সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

Check Also

কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

সাহাব উদ্দিন আহমেদ শিহাব, কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের পূনাঙ্গ কমিটি জেলা কমিটির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *