Breaking News
Home / সারা বাংলা / রাজধানীর থানাগুলোতে বসছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

রাজধানীর থানাগুলোতে বসছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক

ডিএমপি কমিশনারের ঘোষণা মতো রাজধানীর থানাগুলোতে বসতে শুরু করেছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, থানার কাজে গতি আনা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মানুষের সেবাপ্রাপ্তির সুবিধার জন্যই এ উদ্যোগ। পুলিশের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক উল্লেখ করে অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

থানাগুলোতে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া যায় না। কখনো কখনো শিকার হতে হয় হয়রানির সাধারণ মানুষের এসব অভিযোগের কথা বিভিন্ন সময় স্বীকার করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারাও।

সবশেষ গেলো শনিবার মিট দ্যা প্রেসে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রয়োজনে থানায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের কথা বলেছিলেন সদ্য দায়িত্ব নেয়া ডিএমপি কমিশনার।

আর এ লক্ষ্যে সোমবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন ডিএমপি কমিশনার। যাতে বলা হয় জন সাধারণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিদিন ২ থেকে তিনঘণ্টা থানার কার্যক্রম মনিটর করবেন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বেশকটি থানায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদ মর্যাদার কর্মকর্তারা। বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে থানায় আসা মানুষজনের বক্তব্য শুনে প্রতিকার দেয়ারও চেষ্টা করছেন তারা।

ধানমণ্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আব্দুল্লাহিল কাফী বলেন, আমাদের অফিসার ইনচার্জসহ যারা আছেন, তারা এই কাজটি করেছেন। তারা এখনো করছেন, জনগণের যে প্রত্যাশা সেটি সম্পূর্ণভাবে পূরণের উদ্দেশ্যই তাদের সাথে আমরাও মাঝে মাঝে থানায় বসছি।

রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক বলেন, থানায় জিডি, মামলা দিয়ে টাকা পয়সা নেয়া হয়, এখন থেকে এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারবে না। দৈব্যচয়নের ভিত্তিতে জিডি এবং মামলার বাদী এবং স্বাক্ষী যারা, তাদের আমরা মাঝে মাঝে ফোন করবো। ফোনের মাধ্যমে আমরা জানার চেষ্টা করবো। এই ধরনের কোন অনৈতিক লেনদেন হয় কি না।

স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা। তবে পুরো প্রক্রিয়াকে ঢেলে সাজানো না গেলে অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তারা।

অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, যদি পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে এই উপলব্ধিটা আসে যে, থানাগুলো সেবা নিশ্চিত করতে পারছে না। সেটাকে আমি ইতিবাচক বলবো। শুধুমাত্র যারা উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা মনিটর করলে হবে বিষয়টা এমন না। থানাগুলোর দায়িত্বে থাকা পুলিশের যে প্রশিক্ষণ, তাদের যে আচরণ, তাদের মোটিভেটশনের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, ১৮৬৪ সালের পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল- পিআরবিকে ভিত্তি করেই চলছে বাংলাদেশ পুলিশ। সেবাধর্মী পুলিশ গড়তে আরো যুগোপযোগী পরিচালন পদ্ধতি প্রনয়নের পরামর্শ তার।

Check Also

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে লালমনিরহাটে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

পরিমল চন্দ্র বসুনিয়া, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির-কে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *