এই নির্মম হত্যাকন্ডে ,,স্থানীয় চেয়ার মাহফুজ আলম ,, বিস্ময় প্রকাশ করে বলছেন এই হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না,,,নিহতের পরিবার যেনো সঠিক বিচার পায়,,তার জন্য যা যা প্রয়োজন,, প্রশাসন এবং স্হানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি তাই করবো।
অপর দিকে এই নির্মম হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে,,৮ নং মুন্সীরহাট ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বলেছেন,,অতন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে আরিফকে হত্যা করেছে,,হত্যাকারীদের যেনো দৃষ্টান্ত শাস্তি হয়,,তার জন্য ছাত্রলীগ সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে,,,যত দিন না,পর্যন্ত এই হত্যাকারী গ্রেফতার করে,,বিচারে মুখামুখি না করা হবে,,তত দিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে,,,

নিহত আরিফের পিতা আব্দুল কাদির খোকন
মধ্যপ্রাচ্যে চাকুরী করেন,তিন ভাই বোনের মাঝে আরিফ ছিলো দ্বিতীয়,তার বড় বোন আঁখি বিবাহিত এবং ছোট ভাই শরীফ এইচএসসি 2ndyear এ পড়ছে।
আরিফ ডিগ্রী final দিয়েছে। সে মুন্সিরহাট বাজারে সৌরভ স্যারের ছাত্রাবাসে থাকতো।
উল্লেখ্য–তথ্য সূত্রে জানা যায়,
ঘটনাটি ঘটে গত ৭ফেব্রুয়ারী২০১৯ বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যার একটু পূর্বে তার মটর সাইকেল চালিয়ে সে পার্শ্ববর্তী গ্রাম বারাইশের উপর দিয়ে বাড়ী ফিরে। বাড়ী পৌঁছানোর পর তার চোখের নীচে
নীলা -ফুলা দাগ দেখে এবং তার নিস্তেজ হতে যাওয়া চোখ দেখে তার মা তাকে প্রশ্ন করে কি হয়েছে তোর বাবা? তোকে কে মেরেছে?
তখন আরিফ অস্পষ্ট শব্দে এলো মেলো কথা বলতে বলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।তাৎক্ষনিক আরিফের মা প্রতিবেশী এবং বাড়ীর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ডাকে এবং প্রথমে চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতাল নিয়ে যায়।ওখানে চিকৎসকগন অবস্হা খারাপ দেখে ওকে কুমিল্লা সরকারী হাসপাতালে দ্রুত নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন,ওখানেও কর্তব্যরত ডাক্তারগন রোগীর অবস্হা দেখে তাকে অন্যত্র ভর্তি করনোর জন্য বলেন।পরবর্তীতে কুমিল্লা টওয়ারে প্রাইভেট মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে গেলে ওখানকার চিকিৎসকগন ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।পরবর্তীতে তাঁদের পরিবার তাকে ধানমন্ডি নর্দান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তির ব্যাবস্হা করেন।একটানা ৩ দিন চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যূবরন করে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় আরিফের মা লিমার বাবা মায়ের নিকট বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন একাধিকবার কিন্তু তার বিয়ে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে।কিছুদিন পূর্বে লিমার বিয়ের জন্য অন্যত্র হতে বিয়ের প্রস্তাব আসে পরবর্তীতে এই বিয়ে ভেঙ্গে যায়। এই বিয়ে ভেঙ্গে দেওয়ার পেছনে আরিফকে দায়ী করে বিগত কয়েকদিন ধরে লিমার পরিবারের সদস্যগন ওকে হুমকি দিয়ে আসছিলো।তথ্য সূত্রে আরো জানা যায় দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর আরিফ-লিমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিগত ৫-৬মাস ধরে লিমা আরিফের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার নবগ্রামের মেহেদী নামে এক ছেলের সাথে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলে।
স্হানীয় সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই মৃত্যূটিকে পরিকল্পিত হত্যা হিসেবে নেয়ার যৌক্তিকতা এই কারনে যে,
প্রেম সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে মুন্সীরহাট ইউনিয়ন এর “”বারাইশ গ্রামের পশ্চিম পাড়ার সফিকুর রহমান ইদু এবং রৌশনারা আক্তার বুলুর কন্যা
মোসাঃ লিমা আক্তার এর সাথে প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের কারনে—
লিমা আক্তারের অভিভাবক সন্ত্রাসী দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে খুব জঘন্যভাবে মাথায় আঘাত করে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—

এই হত্যাকান্ডে এলাকাবাসী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং হত্যাকারীদের যেনো সঠিক বিচার হয় সে দাবিও জানিয়েছে এলাকাবাসী

এই হত্যাকান্ডে এলাকাবাসী