Breaking News
Home / অর্থনীতি / ময়মনসিংহে মাছের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না অভিযোগ চাষিদের

ময়মনসিংহে মাছের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না অভিযোগ চাষিদের

ময়মনসিংহে উৎপাদিত মাছের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ মাছ চাষিদের। পাশাপাশি মাছের খাবারের মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন তারা। মাছের খাবার ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফিড কোম্পানিগুলো খাবারের দাম বাড়িয়ে দেয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। আর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দাবি, দেশে চাহিদার তুলনায় মাছের উৎপাদন বেশি হওয়ায় মাছের দাম কমেছে।

ময়মনসিংহ অঞ্চলে এ বছর মাছের উৎপাদন ভালো হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেনা চাষিরা। গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর মাছ চাষ করে লাভের মুখ দেখাতো দূরের কথা উৎপাদন খরচ তোলা নিয়েই উদ্বিগ্ন তারা। পাশাপাশি মাছের খাবারের নিম্নমান আর অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা। মাছ চাষিরা বলছেন, মাছের দাম না বাড়লে এবং খাবারের দাম ও মান নিয়ন্ত্রণ করা না হলে এ খাতে বিপর্যয় নেমে আসবে।  

মাছ চাষিরা জানান, মাছের খাবারের দাম বেশি। মাছের দাম কম। তার জন্য আমাদের লাভ হচ্ছে না। আগে মাছ বিক্রি করতাম ১২০ টাকা কেজি। এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি। আরেক মাছ চাষি জানান, গত তিন বছর ধরে চেষ্টা করছি, কীভাবে উঠা যায়। এছাড়াও আমাদের ব্যাংকে ঋণ আছে, মানুষের কাছে ঋণ আছে।

মাছের খাবার ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফিড কোম্পানিগুলো মাছের খাবারের দাম বাড়িয়ে দেয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।  ফিড বিক্রেতা জানান, ‘কোম্পানি বলেছে কাচা-মালের দাম কমলে তারাও মালের দাম কমাবে। অবশ্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দাবি, কোম্পানিগুলো গুণগত মানের খাবার উৎপাদন করায় মাছের খাবারের দাম বেড়েছে। 

ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলেকউজ্জামান বলেন, ‘আমরা বারবার মাছের খাবারের মান পরীক্ষা করি। পরীক্ষায় দেখি খাদ্যে যে গুণগত মান সেটা সেটা ঠিক আছে কি না।’

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ময়মনসিংহ জেলায় ১ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৪ গুণ বেশি।

Check Also

নীলফামারী ডিমলায় ১৬ বোতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

হাছানুর রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় গত ২০/০২/২০২১ইং তারিখে অফিসার ইনচার্জ ডিমলা থানার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *